শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
করোনার ঝুঁকিতেই স্কুল খুলতে ট্রাম্পের নির্দেশ পেকুয়ায় প্রয়াত দুই নেতার স্মরণে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গলাচিপায় বিলুপ্তর পথে বাবুই পাখির বাসা রংপুর মহানগর জাতীয় যুবসংহতির পুর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, মুল নেতৃত্বে জাকির-শান্তি-আনছার বাঘারপাড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ টেকনাফে ২০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা আটক-১  টেকনাফ বাহারছড়ার ইউপি চেয়ারম্যান করোনা পজেটিভ। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র’র শোক কুষ্টয়িার দৌলতপুর সীমান্ত থেকে ৫ চোরাকারবারীকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ । যশোরে আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু

করোনা ঝুঁকিতে সংবাদকর্মীরা, সুরক্ষায় পাশে নেই কেউ!

গণমানুষের অধিকার নিয়ে সোচ্চার থাকা মানুষগুলো নিজেদের অধিকারের কথা বলার কেউ নেই! হুম আমি সাংবাদিকদের কথাই বলছি। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত একাকার করে কাজ করেও মহান এই পেশাটির সাথে জুড়ে গেছে ‘থ্যাংকসলেস’ শব্দটি।

বিশ্ব যখন মহামারি ভরসার করোনার কবলে, জনমনে যখন আকণ্ঠ শঙ্কা, ঠিক তখনো হাজারো সংবাদকর্মী নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে অবিরাম সংগ্রহ করে চলেছেন করোনার সংবাদ।

ন্যূনতম সতর্কতা ছাড়াই ছুটছেন এয়ারপোর্টে নিচ্ছেন প্রবাস ফেরতদের ইন্টারভিউ তারপর ছুটে চলা হাসপাতালে করোনা রোগীর খোঁজে, সেখানে কথা হচ্ছে করোনার চিকিৎসা করা চিকিৎসকের সাথে। তারপর আবার জন জটলার প্রেস বিফ্রিং। কখনো কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে, কখনো তাকে ঘিরে জনগণের প্রতিবাদ মিছিলে! ভাবতে পারেন, আমরা যখন মাসের বাজার মজুদ করে বাড়িতে আছি করোনার সতকর্তায় তখন যেই মানুষটি আমাদের জানাচ্ছেন দেশে করোনার প্রকোপ কতটুকু, বিশ্বে কোথায় কি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে থেকে শুরু করে করোনার সব খবরাখবর সেই মানুষটিই ঘুরে ফিরছেন কি করোনার চারিদিকে কোনোরকম সুরক্ষা ছাড়াই।

মনে পরে যায় হেফাজতের কথা, বিডিআর বিদ্রোহ গুলি হচ্ছে, ককটেল ফুটছে, গ্রেনেড ফুটছে আর আমরা তখন পাগলের মতো সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত! নিতান্তই সৌভাগ্যবানরা পেয়েছিলাম কিছু বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট আর হেলমেট আর বাকিরা আয়রনের ভাজে ঘর্মাক্ত শার্ট নিয়ে কাটিয়ে দিয়েছিলেন পুরো সংকটের সময়গুলো। সংবাদকর্মীরা কি তবে মানুষ নয়! তাদের কি নূন্যতম সুরক্ষার কিটগুলো পাওয়ার কোনোই অধিকার নেই?

এইতো সেদিন চিকিৎসক ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় উপস্থাপক ডা. আব্দন নূর তুষার তাদের (চিকিৎসকদের) অধিকারের কথা বলতে গিয়ে বারবার আবেগ-আপ্লুত হয়ে যাচ্ছিলেন। তখন আমার শুধুই মনে হচ্ছিল কতোটা অসহায় আমরা সংবাদকর্মীরা। চিকিৎসক তার চিকিৎসা করবেন এই শপথ নিয়েই তিনি এসেছেন এই মহান সেবার পেশায়। তাকে ন্যূনতম সুরক্ষা দিতেও আমরা পারছি না। তার কি পরিবার নেই, নেই কোনো স্বপ্ন! আর সুরক্ষা ছাড়া চিকিৎসা দিতে গিয়ে মারা পড়লে ক্ষতিটা কি শুধুই তার পরিবারের? এ জাতির কি কোনোই ক্ষতি নেই?

ঠিক তেমনি সাংবাদিকদের কি পরিবার নেই, তার মৃত্যুতে কি এই জাতির কোনোই ক্ষতি হবে না? যখন এই কথাগুলো বলছি, তখন আমার সাংবাদিক সহযাত্রী ভাইরা ভুগছেন শিল্পের দৈন্যদশার মধ্য দিয়ে। চলছে ছাঁটাই, বেতন-ভাতার নাই ঠিক, বছর শেষে ইনক্রিমেন্ট তো পূর্ণিমার চাঁদ, চাকরিটা টিকে থাকলেই যেন পরম পাওয়া! কি অপরাধ আমাদের! বলতে পারেন!

থাক সে কথা, আসুন ফিরে আসি করোনায়। যেখানে জন জমায়েতকে দেখা হচ্ছে আত্মহত্যা হিসেবে সেখানে কি দরকার একটা প্রেস বিফ্রিং এ সবগুলো গণমাধ্যমের যাওয়ার? নিয়ম করে একটা হাউজ গিয়ে সবাই ফুটেজ আর তথ্যগুলো ভাগ করে নিলেই কি হয় না! কিংবা ধরুন, যেই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা প্রেস ব্রিফিং করছেন তারাই না হয় ডিজিটালি ব্রিফিং করলো সেখান থেকে তথ্য আর ফুটেজ নিয়ে হলো সংবাদ।  বিশেষ কিছু দরকার পরলে না হয় আলাদাভাবে হাতে সংবাদকর্মীরা নিলেন মুঠোফোন।

 

Ref: somoynews

স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নতুন ভিজিটর

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৩৯০
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১২,২৬৭,৭৯৭
সুস্থ
৬,৭৩৯,৪৭৩
মৃত্যু
৫৫৪,৯০৮
©All rights reserved ©bdnewstoday
কারিগরী সহায়তা: মোস্তাফী পনি